Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

” সতেরো বছরের মেয়েকে শ্বাসরোধ করে খুন করেছে তার সৎ মা , অভিযোগ গ্রামবাসীদের। “

নিজস্ব ডেস্ক, এডিএইচ নিউজ, হরিশ্চন্দ্রপুর মালদাঃ

মালদা জেলার হরিশচন্দ্রপুর থানার রানীপুরা গ্রামের মুনেমা খাতুন নামে (১৭) এক কিশোরীকে শ্বাস রোধ করে খুন করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর সৎ মায়ের বিরুদ্ধে ।

সোমবার আজ সকাল আনুঃ সাতটার দিকে সেই কিশোরীর মৃতদেহ বাড়ির পাশে বাঁশঝাড়ের মধ্যে একটি বাঁশ গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় গ্রামবাসীরা । কিশোরীর মৃত্যুদেহ নিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, সতেরো বছরের সেই কিশোরী দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। সৎ মায়ের নিকট অনাদরে মানুষ হলেও সেই কিশোরীর ব্যবহার খুব ভালো ছিল বলে জানায় গ্রামবাসীরা । কিছুদিন পূর্বে দেখতে সুন্দরী সেই কিশোরীর বিয়ের প্রস্তাব ও এসেছিল বলে জানা যায়। সেই কিশোরী শালালপুরে মামার বাড়িতে বেড়াতে গেলে দুইদিন পূর্বে সেখান থেকে তাঁর পিতা মহবুব আলম তাকে বাড়ি নিয়ে আসে ।

তারপর আজ সোমবার  সকাল সাতটার দিকে বাড়ির পাশে থাকা বাঁশঝাড়ে একটি বাঁশ গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় কিশোরীর মৃতদেহ দেখা যায়। কিশোরীর মৃতদেহটি দেখে গ্রামবাসীরা হতভম্ব হয়ে পড়ে। কিশোরী নিজে আত্মহত্যা করেছে নাকি তাঁকে খুন করা হয়েছে তা নিয়ে সন্দেহের দানা বাঁধে গ্রামবাসীদের মধ্যে।

এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হতেই তাঁর সৎ মা ও পিতা মহবুব আলম সেই কিশোরী নিজেই আত্মহত্যা করেছে বলে মিথ্যা প্রচার চালিয়ে যায় গ্রামবাসীদের মধ্যে। কিন্তু সে কথা মানতে নারাজ গ্রামবাসীরা। কারণ সেই কিশোরীর সাথে তাঁর সৎ মা মোটেই ভালো ব্যবহার করত না বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। তাছাড়া কিশোরীর দুই পায়ে রক্ত ও আঁচরের চিহ্ন দেখতে পাই বলে ও জানায় গ্রামবাসীরা। ফলে সন্দেহের তীর আরও জোরালো হতে থাকে ।

ঘটনাটি নিয়ে রাজা আজম নামে সেই কিশোরীর মামার অভিযোগ যদি কিশোরী নিজেই আত্মহত্যা করে তবে তার দুটো পায়েই রক্তাক্ত ও জখম হয়েছে কি করে। তাঁর সৎ মা তাঁকে খুন করে টানতে টানতে বাঁশঝাড়ে গিয়ে বাঁশে ঝুলিয়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করে তাঁর মামার।
তিনি আরও জানান যে তাঁর সৎ মা নাকি প্রকাশ্যে গ্রামবাসীদের সামনে কিশোরীকে মেরে ফেলার কথা স্বীকার করেছে ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায় যে খবর পেয়ে মৃতদেহটি উদ্ধার করে আনা হয় এবং ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়। কিশোরীর সৎ মা ও বাবাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার কথা জানালেও এখনোও পর্যন্ত কোন অভিযোগ জমা করে নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখা হবে বলে ও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!